মোহাম্মদ : ফয়সাল..... বাংলাদেশে এই প্রথম রোবট ফোর্স’র মাধ্যমে অগ্নিনির্বাপন, অগ্নিকান্ড থেকে মানুষকে বাঁচানো এবং অগ্নিকান্ডের স্থানে দ্রুত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাঠাতে রোবট ফোর্স উদ্ভাবন করে জাতীয় পুরষ্কার লাভ করেছেন লোহাগাড়ার কৃতি সন্তান চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স বিভাগের অষ্টম পর্বের মেধাবী ছাত্র ক্ষুদে বিজ্ঞানী জাহেদ হোসাইন নোবেল। গত ১৬ জুন রবিবার সন্ধ্যা ৬ টায় ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্কিল কম্পিটিশনের চূড়ান্ত পর্বে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল তাঁর হাতে এ পুরষ্কার তুলে দেন। উক্ত স্কিল কম্পিটিশনের চূড়ান্ত পর্বে মোট ৫৪টি প্রজেক্ট অংশগ্রহণ করে। এতে প্রকৌশলী জাহেদ হোসাইন নোবেলের উদ্ভাবিত প্রজেক্টটি ৩য় স্থান অধিকার করে জাতীয় পুরস্কার লাভ করে । কৌশলী নোবেল চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের হয়ে এ কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ করে। প্রজেক্টে তাঁর সহযোগী ছিলেন একই বিভাগের ছাত্র ফাহিম জাওয়াদ ও ইমতিয়াজ বিন সোয়াইব। বাংলাদেশ রোবট ফোর্স এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে উদ্ভাবক প্রকৌশলী নোবেল জানান,...
ফয়সাল,নিউজলোহাগাড়া২৪.বিডি লোহাগাড়া উপজেলায় মরা মুরগি বিক্রির দায়ে এক মুরগি ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ১২ জুন ( বুধবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বটতলীর কাঁচাবাজারে ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার সওদাগর আনুকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আদালত পরিচালনা করেন লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদ্মাসন সিংহ । জানা যায়, ঘটনার দিন উপজেলা আমিরাবাদ ইউনিয়ন দর্জিপাড়া এলাকার তৌহিদ নামে এক ক্রেতা ওই দোকান থেকে তিনটি মুরগী কিনেন। মুরগী তিনটি জবাই করে দিতে বলে। দোকান মালিকের উপস্থিতিতে সেগুলো পেকেট করে দেওয়া হয়। ক্রেতা তৌহিদ মুরগী গুলো বাড়িতে নেওয়ার পর দেখে একটা মুরগী শক্ত এবং গলায় জবাই করার কোন চিহ্ন নেই। সাথে সাথে মুরগী গুলো ওই দোকানে ফেরত অানলে দোকান মালিক প্রথমে অস্বীকার করে। পরে লোকজন বেশি হলে সে তার দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চায়। এসময় ক্রেতা তৌহিদ বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ ব্যাপারে লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদ...
মোহাম্মদ ফয়সাল..... বাবা এটা বাবাদের গল্প। দীর্ঘ পথ বাসে ঝুলে পাড়ি দেন বাবারা। জীবন যুদ্ধে ছেঁড়া একজোড়া জুতা নিয়ে কত বর্ষায় বিপুল পথ হাঁটা। সন্তানের কোনো শখই অপূর্ণ থাকতে দেন না। হাসিমুখে বড় মাংসটা তুলে দেন নিজের সন্তানের পাতে। বাবাদের ফোন কখনো পুরনো হয় না, শার্টের হাতাটা কখনো ছোট হয়ে যায় না, ঘড়িটার বয়স বাড়ে তবুও চলতেই থাকে। ২৪ ঘন্টায় ৩৬ রকম কাজ, চোখের কোণায় একটু ঘুম। অফিসের লাঞ্চে ক্যান্টিন থেকে তুলে নেন কমদামী সমুচাটাই। বাঁচানো কিছু টাকা দিয়ে যদি আরেকটু খুশি করা যায় সন্তানদের। বাবারা তাদের সুবিশাল বাহু দিয়ে আগলে রাখেন তার পুরো পরিবার। শেষরাতে যখন চাঁদ ডুবে গিয়ে নক্ষত্রের আলোয় চারিদিক অন্যরকম হয় তখন বাবা চুপিসারে সন্তানের পাশে এসে বসে, ভাঙা হাসি দিয়ে সযত্নে ঘুম পাড়ায়। প্রতিদিন জন্ম হয় প্রায় ৩,৫০,০০০ লক্ষ সন্তানের আর তার সাথে জন্ম নেয় একই অংকের বাবারা... পৃথিবীর সব বাবাকে শ্রদ্ধা
Comments
Post a Comment